আজকে ভূমিকম্প আপডেট লাইভ
গভীরতা: প্রায় ১০ কিলোমিটার (ইউরোপীয় ভূকম্পন সংস্থা ইএমএসসি অনুসারে
<h2 id="section3">Types of Earthquakes</h2>
ভূমিকম্পের প্রধান কারণ হলো টেকটনিক প্লেটের সঞ্চালন (Movement of Tectonic Plates)।
প্লেটের সংঘর্ষ ও ঘর্ষণ: পৃথিবীর ভূত্বক একাধিক বিশাল ও অনমনীয় টেকটনিক প্লেট দ্বারা গঠিত। এই প্লেটগুলি গলিত ম্যাগমার উপর ভাসমান অবস্থায় ক্রমাগত স্থান পরিবর্তন করে। যখন দুটি প্লেট একে অপরের সাথে ধাক্কা খায়, ঘর্ষণ হয় বা একটি অন্যটির নিচে চলে যায়, তখন প্লেটের সংযোগস্থলে (Plate Boundary) বিপুল পরিমাণ শক্তি জমা হয়। এই শক্তি হঠাৎ নির্গত হলে ভূমিকম্প হয়।
চ্যুতি (Fault): ভূগর্ভে ফাটল বা শিলাচ্যুতি হলে।
আগ্নেয়গিরির কার্যকলাপ: আগ্নেয়গিরির বিস্ফোরণের কারণেও ভূমিকম্প হতে পারে।
৩. ভূমিকম্পের কেন্দ্র
ভূমিকম্পের সঙ্গে জড়িত দুটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান হলো:
কেন্দ্র বা ফোকাস (Focus/Hypocenter): ভূ-অভ্যন্তরে যেখানে প্রথম ভূমিকম্পের সৃষ্টি হয় এবং শক্তি নির্গত হয়, তাকে কেন্দ্র বলে।
উপকেন্দ্র (Epicenter): কেন্দ্রের ঠিক সোজাসুজি উপরে ভূপৃষ্ঠে অবস্থিত স্থানটিকে উপকেন্দ্র বলে। এই স্থানে কম্পনের তীব্রতা সবচেয়ে বেশি অনুভূত হয়।
৪. পরিমাপ
ভূমিকম্পের তীব্রতা দুটি স্কেলে পরিমাপ করা হয়:
মাত্রা বা ম্যাগনিচিউড (Magnitude): ভূমিকম্পের ফলে নির্গত শক্তির পরিমাণ বোঝায়। এটি রিক্টার স্কেল (Richter Scale) বা মোমেন্ট ম্যাগনিচিউড স্কেল (Moment Magnitude Scale) দ্বারা পরিমাপ করা হয়।
তীব্রতা (Intensity): কোনো নির্দিষ্ট স্থানে ভূমিকম্পের ফলে সৃষ্ট ক্ষয়ক্ষতি এবং অনুভূত কম্পনের মাত্রা বোঝায়। এটি মার্সেলি স্কেল (Mercalli Scale) দ্বারা পরিমাপ করা হয়।
৫. ফলাফল
শক্তিশালী ভূমিকম্পের ফলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হতে পারে:
ভূমিধস (Landslide), ফাটল সৃষ্টি।
ভবন ও অবকাঠামোর ক্ষতি।
সমুদ্রে সুনামি (Tsunami) সৃষ্টি।
ব্যাপক প্রাণহানি ও সম্পদের ক্ষয়ক্ষতি।
ভূমিকম্প একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ, যার পূর্বাভাস এখনও পুরোপুরি দেওয়া সম্ভব নয়, তবে এর মোকাবিলা করার জন্য প্রস্তুত থাকা অত্যন্ত জরুরি।
ভূমিকম্পের কারণ, রিখটার স্কেল বা এর ক্ষয়ক্ষতি সম্পর্কে কি আরও বিস্তারিত কিছু জানতে চান?

No comments